রফিকুল আলম,ফটিকছড়ি :
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার সমিতিরহাট ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আরবান আলী সওদাগর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়,শুক্রবার রাতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নিস্তব্ধতায় আগুনের তীব্রতা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরের মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় ২ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
ততক্ষণে বৃটিশ আমলে দৃষ্টিনন্দন কাঠের তৈরী বিপ্লব,বিটু,কপিল,কাজল,বাদল, রাসেদ,জাহেদ,হাসান,মিটু চৌধুরী,টিটু চৌধুরী,সোহেল চৌধুরী,মঞ্জুর দ্বিতল বসতঘর সহ সেমিপাকা ঘর গুলো সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মুক্তিযুদ্ধা রাশেদ মুহাম্মদ জানান,আগুনের ভয়াবহতায় ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। আসবাবপত্র,ধান-চাল,নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া তাঁদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
ফটিকছড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আব্দুল কাইয়ুম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তবে আগুনের ভয়াবহতা ছিল বেশি।
প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন,আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০–১২টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।












