বাঁশখালীতে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার বিকালে উপজেলার কালীপুর এলাকায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশের লাঠিচার্জের এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে মূল সড়কে ওঠার সময় তাদের ওপর ‘অতর্কিত’ হামলা চালায় পুলিশ। পুলিশের লাঠিচার্জে তাদের বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
পাল্টা দাবি করে বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আরিফুর রহমান বলেন, বিএনপির মিছিল থেকে মূল সড়কে আসার সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে ওসিসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চার্জ করে সবাইকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে শুক্রবার বাঁশখালীতেও মিছিল ও সমাবেশের আহবান করা হয়। সাবেক সাংসদ জাফরুল ইসলামের বাড়িতে সমাবেশ শেষ করে মিছিল নিয়ে মূল সড়কে ওঠার সময় পুলিশ হামলা চালায় বলে অভিযোগ তার।
এতে তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য, উপজেলার পুকুরিয়া এলাকায় এ সমাবেশ ও মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু সরকার দলীয় লোকজন স্থানটি ‘দখল’ করে নিয়েছে। পরে গুনাগরি খাস মহলে সমাবেশ আয়োজনের কথা জানালে পুলিশ সেটিতে অনুমতি দেয়নি। সবশেষে কালীপুরে জাফরুল ইসলামের বাড়ির পাশে সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সংঘর্ষের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে মূল সড়কে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।
এতে বাঁশখালী থানার ওসির মাথায় একটি ইট আঘাত করলে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এক পর্যায়ে টিয়ার সেল ছুঁড়ে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।












