আন্তর্জাতিক আরব আমিরাত

 বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবিতে কূটনীতিকদের নিয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও  মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবিতে কূটনীতিকদের নিয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও  মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

সনজিত কুমার শীল

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবীতে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবির উদ্যোগে গতকাল ৭ ই মার্চ ২০২৩ ইং স্হানীয় Intercontinental Hotel এর বল রুমে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কূটনীতিক ও প্রবাসীদের নিয়ে এক মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। মান্যবর রাষ্ট্রদূত আবু জাফর ও সহধর্মিনী সালমা আহাম্মদ জাফর অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে দুই দেশের জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে ফারাহ তাজিন এনির পরিচালনায় রাষ্ট্রদূত জনাব আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন আমিরাত সরকারের পররাষ্ট্র মনন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতি মন্ত্রী আহম্মেদ বিন আল সায়েক । অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এবং ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হয়। এইবার মহান স্বাধীনতা দিবস রমজানে হওয়ায় অগ্রিমভাবে আজকে পালন করা হয়। মহান মিলন মেলায় শতাধিক কূটনৈতিক, দুবাই অবস্থানরত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন, সিআইপি নেতৃবৃন্দ আমিরাতে অবস্থানরত বিভিন্ন প্রদেশের ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন এবং এই স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যেই ঐতিহাসিক ভাষণ তার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ সালের আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। তিনি আরও বলেন ৭ই মার্চ ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ দালিলিক অতিথি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ আমাদের জাতির জন্য এবং বাংলা ভাষার জন্য এক গর্বের বিষয়। বক্তব্যকালে তিনি আরো বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা গতিশীল নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন অভিযাত্রা এবং বাংলাদেশের অর্জন সমূহ উপস্থাপন করেন। এই মিলন মেলায় আগত অতিথিদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

Related Posts