চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে ‘সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের পথ পরিক্রমায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অদম্যযাত্রা’-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস-২০২৩’ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল ২ মে মঙ্গলবার সকালে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি, বৃক্ষরোপন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জেলা স্বাস্থ্য তত্ত¡াবধায়ক সুজন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবসের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোঃ নুরুল হায়দার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসআইএমও ডা. এফ এম জাহিদুল ইসলাম, এমওসিএস ডা. মোঃ নওশাদ খান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা থোয়াই নু মং মার্মা ও প্রধান সহকারী এস.এম সাহিদুল ইসলাম। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বস্তরের কর্মচারীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। বিশ্বকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব সকলের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছেন। দেশে সরকারিভাবে স্বল্প খরচে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে নিজেকে সচেতন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাঙ্ক ও ফাস্ট ফুড পরিহারের কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা প্রদানে আমাদেরকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। তাদের সেবাদানের লক্ষ্যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে ১৩ হাজার ৫’শ কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছেন। যা পূর্ব এশিয়াতে অনেক সরকার প্রধানের ঈর্ষনীয় কর্মসূচী। কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ ধরণের ঔষধ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়ে থাকে। প্রতি মাসে প্রায় ৯০ লক্ষ মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা নেন। চট্টগ্রাম জেলায়ও ৫৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। ফলে জনগণ কাঙ্খিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে প্রতিটি পরিবারকে উদ্বুদ্ধ ও সচেতন করতে হবে।###












