চট্টগ্রাম শোক ও স্মরণ

জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

 

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা আজ ২৫ ফেব্রæয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ নোমান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ শরীফ উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান আলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাসসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চট্টগ্রামের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। সভার শুরুতে বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
বিগত ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রæয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। নিহত হন সব মিলিয়ে ৭৪ জন। দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে এই ঘটনা। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম শোকাবহ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার ২৫ ফেব্রæয়ারিকে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষনা দেন। ২০০৯ সালের সেই নারকীয় হত্যাকান্ডকে দেশের সার্বভৌমত্বের উপর এক বড় আঘাত হিসেবে মনে করা হয়। এই ঘটনায় সেনা কর্মকর্তাদের নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ গুম ও পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশের সশস্ত্র বাহিনীর উপর সবচেয়ে বড় হামলা বলে বিবেচনা করা হয়। ###

Related Posts