হাটহাজারীর নুরালী মিয়ার হাট এলাকার ইউসুফ চৌধুরী বাড়ী এলাকায় প্রবাসীর ভাড়া ঘরের লোকজনকে প্র্রতিবেশীরা হয়রাণী করছে বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে প্রবাসীর ভাগিনা নাজিম উদ্দিন হাটহাজারী থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন। এটি স্থানীয় থানার এস আই মাসুদ তদন্ত করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরী একজন আমেরিকা প্রবাসী। ২০১০ সাল হতে তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে আমেরিকাতে বসবাস করেন। তার বাড়ীতে আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরীর একটি এক তলা বিশিষ্ট পাকা ঘর আছে।ওই ঘরের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা শত্রুতাবশতর বসত ঘরের উত্তর পার্শ্বের দেয়াল খানা বিবাদীগণ বেআইনিভাবে দখলে নিয়ে তাদের বসত ঘরের দেওয়াল হিসেবে দীর্ঘকাল হতে ব্যবহার করে আসছেন। যার ফলে আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরীর বসত ঘরের উত্তর পার্শ্বের জানালাটি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরী চলিত বছরের জানুয়ারী মাস থেকে আজিজুন নাহার (২৫) নামক ১ মহিলার নিকট ভাড়া দেন। আজিজুন নাহারের স্বামীও ১জন প্রবাসী। আজিজুন নাহার একটি ছোট শিশু পুত্র সন্তান নিয়ে ওই বসত ঘরে বসবাস করে।
গত ১৭ মার্চ দিবাগত রাত অনুমান আড়াইটার সময় আজিজুন নাহার লক্ষ্য করেন পাকা ঘরের উত্তর পার্শ্বের দেওয়ালের বন্ধ জানালা ফুটো করে কে বা কারা তার গতিবিধি লক্ষ্য করছে। তৎক্ষনাৎ বর্ণিত আজিজুন নাহার জানালার পার্শ্বে গিয়ে দেখতে পান বর্ণিত জানালায় দুইটি ফুটো করেছে।
পরবর্তীতে আজিজুন নাহার ঘটনার বিষয়টি প্রবাসী আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরীকে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার পর আমিন উল্লাহ বাহার চৌধুরী বুঝতে পারেন বিবাদীগণ হিংসা ও শত্রুতা করে পূর্ব শত্রুতার জের হিসেবে ঘরের ভাড়াটিয়াদের তাড়াইয়া দিতে জানালায় ফুটো করে ভাড়াটিয়াদের ব্যক্তিগত চলাফেরা ও ব্যক্তিগত মূহুর্তগুলো গোপনে ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করছেন।
ফুটোগুলো আজিজুন নাহার পলিথিন দিয়া ভরাট করে দেয়। বিবাদীগণ ভাড়াটিয়াদের ব্যক্তিগত ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করে ভাড়াটিয়াদের মান সম্মানের হানি করা সহ তারা প্রতিবাদ করলে তাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারে।এই আশঙ্কা করছে ঘরের মালিক ও ভাড়াটিয়া আজিজুন নাহার ।
স্থানীয় একই বাড়ীর নেজাম মোরশেদ বাবুল,আব্দুল খালেক,আব্দুল হালিম, মোঃ তারেক,মোঃ জোবায়ের এসব অনৈতিক, ক্ষতিকর ও শত্রুতা করে প্রবাসীদের টেনশানে রাখছে বলে জানা গেছে।
এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসমীদের এধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন।












