কানাডার টরন্টোয় তিনদিনের টানা ছুটিতে চট্টগ্রাম সমিতির বনভোজন ছিল শনিবার।
রৌদ্র আর মৃদূমন্দ বাতাস ও ২৬ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধো সকালেই বাস ও নিজ নিজ গাড়িতে চড়ে চট্টগ্রামবাসি ছুটে যান ডারলিংটন প্রভিনসিয়াল পার্কের নির্ধারিত স্থানে।
দলে দলে আগত চট্টগ্রামবাসির পরিবার সদস্যদের স্বাগত জানান সংগঠনের সভাপতি মনজুর চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাহবুবল আলম চৌধুরী সাইফুল বনভোজন আহ্বায়ক শেখ জসিম উদ্দিন সহ নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তা বৃন্দ।
চানার ডাল পরাটা, রুটি ও চায়ের পর্ব দিয়ে দিনের সূচি শুরু হয়। ততক্ষণে পার্কের ছাউনি বাইরের পাহাড়ের সবুজ কোলে, নিজেদের চেয়ার, চাদর বিছিয়ে স্বজনদের নিয়ে বসেন সবাই। তাবুর নিচে সেবক দল আর খাবার ও পুরস্কার সমুহ মূল ছাউনিতে সাজিয়ে সময়ের অপেক্ষা।
এরকম অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশ কনসুলেট টরেন্টো, কনসাল জেনারেল লুৎফর রহমান, এসকারবোরো সাউথওয়েস্ট এমপিপি ডলি বেগম অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। তারা সকলের সংগে কুশল বিনিময় করেন।
পার্কের খোলা চত্বরে মেয়েদের চামচের ওপর মারবেল নিয়ে দৌড়ের পর ছেলেদের মোরগ লড়াই বেশ জমে উঠেছিল।
বিরতির মধ্যে মুরগী, খাসি ও গরুর মাংসের সংগে সব্জি, শুটকির তরকারি, ফিরনি ও ভাত মইসখালির পান মিলে মধ্যাহ্ন ভোজনে বিশাল কিউ লক্ষ্য করা গেছে।
তরমুজ, বেলা বিস্কুট চা বিকেলে সবাইকে চাঙ্গা করে রাখে।
এরপর টরেন্টোর শিল্পী মুক্তা সরওয়ার এর চট্টগ্রামের গান এবং আধুনিক গান মিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জমে ওঠে।
অবশেষে রাফেল ড্র পুরস্কার নিয়ে টরেন্টো ফেরার আগে ঘোষণা করা হয় সেপ্টেম্বরে পারিবারিক রাত অনুষ্ঠান সূচি। এভাবেই ইতি ঘটে চট্টগ্রাম সমিতির বনভোজন।












