চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়াস্থ শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুরবাড়ির ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক মহোৎসব আজ ১২ মার্চ রোববার ভোরে ঠাকুরবাড়ী অঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসুচীর মধ্যে ছিল-শ্রীমদ্ভগবত গীতা পাঠ, চন্ডী পাঠ, শ্রীশ্রী ঠাকুরের পুজা, ভোগারতি, স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ষোড়শপ্রহর ব্যাপী মহানামযজ্ঞ, দুপুর ও রাতে প্রসাদ বিতরণ। প্রতিদিন নামসুধা বিতরণে ছিলেন-শ্রী গুরু সম্প্রদায় (চট্টগ্রাম), আদি গীতাঞ্জলি সম্প্রদায় (মাদারীপুর), শ্রীশ্রী রাধেশ্যাম সম্প্রদায় (গোপালগঞ্জ), শ্রী রামসুন্দর সম্প্রদায় (পটুয়াখালী) ও শ্রীশ্রী গোলক বিহারী সম্প্রদায় (পিরোজপুর)। এ উপলক্ষে গত ৯ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ঠাকুরবাড়ী পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কিরণ কুমার ভঞ্জের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঠাকুরবাড়ী পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি রনজিৎ চৌধুরী বাচ্চু, সহ-সভাপতি বরুন ভট্টাচার্য, সহ-সভাপতি প্রদীপ মল্লিক, সহ-সভাপতি সমীরণ কান্তি দেব, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, মেলা পরিচালনা সম্পাদক বিটু মিত্র, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তুষার নন্দী ফুলু, সদস্য অশোক ধর, পংকজ চক্রবর্তী, জগদীশ চৌধুরী, লিটন ঘোষ, চিত্তরঞ্জন শীল শিবু, রাজীব পাল প্রমূখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত বোয়ালখালী। এখানে সকল ধর্মাবলম্বীদের মাজার ও মঠ-মন্দিরসহ প্রখ্যাত ধমীয় পীঠস্থান রয়েছে। সর্বধর্মের সমন্বয়ে সকল ধর্মের লোকজন দীর্ঘকাল ধরে নির্বিঘেœ ও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম পালন করে আসছে। শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুরের আদর্শ বুকে ধারণ করতে পারলে মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত সুশীল সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। ###












