হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে বুধবার অনুষ্ঠিত হলো এক মনোরম বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যার নাম ‘বর্ণিল বিভাবরী’। এই অনুষ্ঠানে কলেজের প্রায় চারশত শিক্ষার্থী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে, যা অনুষ্ঠানের ভিন্ন ভিন্ন দিক এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিভার সমৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে।
অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে বিভক্ত হয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে কলেজের অধ্যক্ষের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের কৃতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুরস্কৃত করা হয়। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম এবং সৃজনশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন ছিল অত্যন্ত সুষ্ঠু ও আকর্ষণীয়। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মগ্ন হয়ে, নৃত্য, সংগীত, নাটক, কবিতা আবৃত্তি, এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে দর্শকদের মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত উপহার দেয়। তাদের প্রস্তুতি, সৃজনশীলতা এবং মঞ্চের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ছিল।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ ফ মোঃ আতিকুর রহমান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি, এমফিল। তিনি অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে না, বরং তাদের সৃজনশীলতা এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়। এই ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের সামাজিক এবং ব্যক্তিগত জীবনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। তারা এই আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং তাদের সৃজনশীলতা ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশে সহায়ক।
এছাড়া, অভিভাবকদের উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উৎসাহের উৎস হিসেবে কাজ করে, কারণ তারা তাদের সন্তানদের প্রতিভা এবং অঙ্গীকার দেখতে পায় এবং সেইসাথে শিক্ষকদের প্রতি তাদের আস্থা আরও দৃঢ় হয়।












