সিনিউজ ডেস্ক
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমা দেওয়া হলফনামায় তার সম্পত্তির পরিমাণ জানা গেছে। তৃণমূল নেত্রীর হাতে নগদ টাকার পরিমাণ এক লাখের কম। তার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বা বাড়ি নেই।
নেই কোনো গাড়িও।
হলফনামায় বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে মমতার বার্ষিক আয় ছিল ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭০ টাকা। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে তার বার্ষিক আয় ছিল ২০ লাখ ৭১ হাজার ১০ টাকা। তারও আগের তিনটি আর্থিক বছরের আয়ের হিসাবও দেওয়া রয়েছে ওই হলফনামায়।
তবে তার মধ্যে সর্বোচ্চ আয় ২০১৮-১৯ অর্থ বর্ষেই।
মমতার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ হাজার ২৫৫ টাকা। কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেট ধরে তার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৩৫২ টাকা ৭১ পয়সার। ওই অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যেই রয়েছে কিছু স্বর্ণালংকার, যার পরিমাণ ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম।
তার নামে কোনো গাড়িও নেই। নেই চাষযোগ্য জমি অথবা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য কোনো স্থান। পৈতৃক সূত্রে তিনি কোনো সম্পত্তির অধিকারীও নন। ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে তার ঋণের বোঝাও নেই।
আয়কর, পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি), পৌরসভার সম্পত্তি কর বাবদ কোনো বকেয়াও নেই তার।
মমতার নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তিও নেই। পাশাপাশি নেই কোনো স্বোপার্জিত সম্পত্তিও।
হলফনামায় বলা হয়েছে, ১৯৮২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে আইনে স্নাতক হন তিনি। তার আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান।
হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ফের নন্দীগ্রামে ফেরেন মমতা। নন্দীগ্রামে রাত কাটানোর কথা ছিল তার। বিকেলে রানিচকের গিরির বাজার এলাকায় একটি মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকে বেরনোর সময়ই পড়ে যান তিনি। মমতার দাবি, তাকে চার পাঁচজন ধাক্কা মারে। যে ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে।
সূত্র : আনন্দবাজার












