রীতা ধর
তোমার চোখে ভাঙ্গনের যে মহড়া চলছে
তার থেকে শুধু একটু সরে আসতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু তার আগেই আকাশে মেঘ জমেছে,
মহাশূন্যের অজস্র ক্ষতচিহ্নের উপর
বিদ্যুতের হলকা দেখে অদক্ষ হাতে
এঁকেছিলাম বৃষ্টির রেখা,
বাতাসে দুলেছিল অরন্যের তৃপ্ত ঘ্রাণ,
স্বপ্নের শিয়রে কুঁড়ির শতদল, তবুও
শেষ বিকেলের অস্তরাগ আর সে বৃষ্টি
তোমাকে ভেজাতে পারেনি।
বিদ্যুতের হলকা নিভে যাওয়ার আগে
হঠাৎ জ্বলে উঠার মতো নিজহাতে
আকাশে ওড়ালে ধবল চাঁদ,
জোনাকির মতো জ্যোৎস্নায় ঝুলেছিল
নাব্যতাহীন নদী গুলো, কতোটা বিমূর্ত যাতনায়!
এমন অভিসারের মরা জোছনা হতে সরে আসতে
অনিবার্য ছিল কিছুটা নাব্যতা,
ভালোবাসার প্রযত্নে সেই নাব্যতা খুঁজতে খুঁজতে
আমি যখন মেঘজলের ঘনিষ্ঠতায়;
নিরেট স্তব্ধতা ভেদ করে তখনি ছুঁড়ে দিলে
অবিনাশী বিস্ফোরণ।
এ সম্পর্কের পবিত্রতায় আমি তো
পেয়েছিলাম শুধু বৃষ্টির শুদ্ধ প্রতিভাস,
ঝড়ো হাওয়া তাই আঁকতে শিখিনি,,,












