“ত্যাগ, দৃঢ়প্রত্যয়, নেতৃত্বগুণ-একজন রাজনীতিক হিসেবে-এর সব ক’টির সম্মিলন জাতি দেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে। যা সহজেই তাঁকে স্বাধীনতার স্থপতি ও জাতির পিতার মর্যাদায় আসীন করেছে। ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর স্থায়ী আসন দেশের আপামর মানুষের হৃদয়ে।”
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, বাঁশখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৮ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপনে আন্তর্জাতিক কমিটির মহাসচিব শওকত বাঙালি আরো বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে ঘাতক চক্র হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী চক্র এখনো নানাভাবে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এসব অপশক্তিকে রুখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই।’
২৮ আগস্ট বিকেলে বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজের হল রুমে সংগঠনের বাঁশখালী উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক লায়ন শেখর দত্তের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আজমীরুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ সাহাব উদ্দীন, বাঁশখালী শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক প্রণব সিকদার, সংগঠনের উপজেলা কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহমুদুল ইসলাম বদি, সদস্য তাজুল ইসলাম, মোঃ লোকমান, সাদেক আলী, মোঃ জিহান, নাজিম, সাইমুন, মোঃ মিনহাজ উদ্দিন, মোঃ সানজিদুল আবেদীন রাকিব, মোঃ ফাহাদ আহমেদ, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ মিজবাহ উদ্দিন, মোঃ ফয়সাল, আজাদুল ইসলাম, এ কে খান, লিমন, জিসাদ, লিটন, আরাফাত, কেয়াস, মোরশেদ, সাগর, মিসবাহ, মুনজুর, আইনুল, মোঃ বাবু, জালাল, মহিউদ্দিন, মোঃ অভি, সাইফুল, আক্কাস, তানভীর, এহেছান, রাফি, মোবারক, রিয়াদ, হেলাল, তারেক প্রমুখ।
আলোচনা সভার পূর্বে নেতৃবৃন্দ স্থানীয় বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।












