মো.এমরান হোসেন,ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফটিকছড়ি পৌরসভার তৃতীয় নির্বাচন। গতকাল সোমবার রাত ১২ টায় প্রার্থীদের প্রচারনা শেষ হয়েছে। ৯ওয়ার্ডের ১৯ কেন্দ্রের ৩৬ হাজার ২শত ৪৬ জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে সকাল ৮টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত একটানা ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট প্রদান করবেন। তৎমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৯হাজার ৮০জন, মহিল ভোটার ১৭হাজার ১শত ৬৬জন।
এবারের পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হলেন ৩ জন। তৎমধ্যে আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ইসমাঈল হোসেন (নৌকা), আ.লীগ বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এএসএম মিনহাজুল ইসলাম (মোবাইল ফোন) মাঠে দেখা গেলেও
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার পাশা চৌধুরী (নারিকেল গাছ) তেমন প্রচারনায় দেখা যায়নি। তবে জয়ের ব্যাপারে প্রচারনায় থাকা দুই মেয়র প্রার্থী শতভাগ আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।
এছাড়া সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে সেলিনা আকতার বিনা
প্রতিদ্বন্ধিতায় হেট্রিক কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেও ২নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪জন, ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ২জন এবং সাধারণ ১নং ওয়ার্ডে ৩জন, ২নং ওয়ার্ডে ২জন, ৩নং ওয়ার্ডে ২জন, ৪নং ওয়ার্ডে ৬জন, ৫নং ওয়ার্ডে ৩জন, ৬নং ওয়ার্ডে জন, ৭নং ওয়ার্ডে ৩জন, ৮নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ৯নং ওয়ার্ডে ৫ জন কাউন্সিলর পদে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চেয়েছেন।
ভোটের বিষয়ে জনতে চাইলে রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামরুল আলম জানান, ফটিকছড়ির পৌর নির্বাচনে ১৯টি ভোট কেন্দ্রের ১৪টি অস্থায়ীসহ ১০৩টি বুথে ইভিএম মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি বসানো হচ্ছে। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও সিসিটিভি বসানো হচ্ছে। এগুলো অনলাইনে নির্বাচন কমিশন থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে। প্রতি ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৯জন ম্যাজিস্ট্রট, পুরো পৌর এলাকায় কমিশন কর্তৃক নিয়োজিত একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। থাকছে দু’প্লাটুন বিজিবি; র্যাব থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। প্রয়োজনবোধে বিজিবি আরো বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের বাইরে কোন গোলযোগ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গেই এ্যাকশানে যাবে প্রশাসন।












