চট্টগ্রাম ধর্ম

শঙ্কর মঠে তপনানন্দের আবির্ভাব উৎসব উদযাপন

 

সীতাকুন্ড আর্ন্তজাতিক শঙ্কর মঠ ও মিশনের পঞ্চম আচার্য ও মঠের অধ্যক্ষ পরমহংস শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের ৭০-তম আবির্ভাব উৎসব আজ ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শ্রীশ্রী বিশ্বনাথ মন্দিরে উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে ছিল-মঙ্গলারতি, হরি ওঁ কীর্ত্তন, শ্রীশ্রী চন্ডীপাঠ, শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের ব্যাসপূজা, বিশ্বশান্তি শ্রীশ্রী গীতাযজ্ঞ ও স্বামীজীর বিশ্বজনীন ভাবনা-শীর্ষক আলোচনা। সন্ধ্যায় শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের দীর্ঘায়ু কামনায় ৭০টি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।
মঠের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে ও শ্রীমৎ জগদীশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আশির্বাণী প্রদান করেন আর্ন্তজাতিক শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ পরমহংস শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক তিনকড়ি চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঋষি অরবিন্দ সোসাইটির সভাপতি রতন ভট্টাচার্য। শঙ্কর মঠের কর্মকর্তা সুলাল কান্তি চৌধুরী, সমীর কান্তি পাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জিত মল্লিক, লায়ন সন্তোষ কুমার নন্দী, মাষ্টার অজিত কুমার শীল, লায়ন দিলীপ শীল, অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী, অধ্যাপক অনজন দাশ, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, বাসুদেব দাশ, প্রদীপ মহাজন জহর, ডা. অশোক দেবসহ বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দ, মঠের সাধু-সন্যাসী, ব্রহ্মচারী ও ভক্তবৃন্দরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আবির্ভাব উৎসবের অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শঙ্কর মঠ ও মিশনের প্রবৃদ্ধি ও মঠের অধীন শ্রীশ্রী বিশ্বনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠায় শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের অবদান অনস্বীকার্য। যারা তীর্থ করার উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষের গয়া-কাশি-মথুরা-বৃন্দাবনে যেতে পারবেনা তারা এই সীতাকুন্ডে শ্রীশ্রী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শনের মাধ্যমে পূণ্যলাভ করা যায়। মঠ-মন্দির শুধু বেড়ানোর জায়গা নয়, ঠাকুরের সান্নিধ্য লাভের স্থানও বটে। জীবনে সৎভাবে যা কিছু উপার্জন করি তার সামান্যটুকু যদি তীর্থস্থানে দান করা হয় তাহলে মানব জীবন স্বার্থক ও সুন্দর হবে। ##

Related Posts