মো.এমরান হোসেন.ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
আজ বুধবার (০২ নভেম্বর ) ফটিকছড়ি পৌরসভার তৃতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে । ৯ ওয়ার্ডের ১৯টি কেন্দ্রে ১৪টি অস্থায়ীসহ ১০৩টি বুথে ৩৬ হাজার ২৪৬ জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে সকাল ৮টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত একটানা ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট প্রদান করবেন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৯ হাজার ৮০ জন, মহিল ভোটার ১৭ হাজার ১৬৬ জন। পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন ৩ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ইসমাঈল হোসেন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এএসএম মিনহাজুল ইসলাম জসিম (মোবাইল ফোন) অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.কামাল পাশা চৌধুরী। তার নির্বাচনী প্রতীক নারিকেল গাছ । এদিকে কামাল পাশাকে মাঠে দেখা না গেলেও হাড্ডাহাডি লড়াই হবে বাকী দুই মেয়র প্রার্থীর মধ্যে এমন ধারনা সাধারণ ভেটকরদের । জয়ের ব্যাপারে দুই মেয়র প্রার্থী শতভাগ আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।
এছাড়া সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে সেলিনা আকতার বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় হেট্রিক কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেও ২নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪ জন, ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ২ জনসহ মোট ৭জন এবং সাধারণ ১নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ২নং ওয়ার্ডে ২ জন, ৩নং ওয়ার্ডে ২ জন, ৪নং ওয়ার্ডে ৬ জন, ৫নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ৬নং ওয়ার্ডে ৩জন, ৭নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ৮নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ৯নং ওয়ার্ডে ৫ জনহ মোট ৩০ জন কাউন্সিলর পদে ভোটে লড়ছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহ রিটার্নিং কর্মকর্তা দেবাশীষ দাস।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। প্রতিটি ভোট কেন্দ্র থাকছে ৭আনসার, ৪পুলিশ, ২ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবসহ ৯ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি ভোট কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ভোটের বিষয়ে জেলা নির্বাচনের সহকারী অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামরুল আলম জানান,
সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ফটিকছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে ১৯টি ভোট কেন্দ্রের ১৪টি অস্থায়ীসহ ১০৩টি বুথে ইভিএম মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও সিসিটিভি বসানো হয়েছে । এগুলো অনলাইনে নির্বাচন কমিশন থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে। প্রতি ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট, পুরো পৌর এলাকায় কমিশন কর্তৃক নিয়োজিত একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। থাকছে দুই প্লাটুন বিজিবি; র্যাব থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। কেন্দ্রের বাইরে কোন গোলযোগ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গেই এ্যাকশানে যাবে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৩ জুন উপজেলা সদর ধুরুং ও রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নকে নিয়ে গঠিত হয় পৌরসভা। ২০১২ সালের ১২ অক্টোবরে প্রথম নির্বাচন পৌর মেয়র হন আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। ২০১৭সালে দ্বিতীয় নির্বাচনেও তিনি নির্বাচিত হন।












